• This is default featured slide 1 title

    Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by NewBloggerThemes.com.

  • This is default featured slide 2 title

    Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by NewBloggerThemes.com.

  • This is default featured slide 3 title

    Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by NewBloggerThemes.com.

  • This is default featured slide 4 title

    Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by NewBloggerThemes.com.

  • This is default featured slide 5 title

    Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by NewBloggerThemes.com.

Showing posts with label পেরেলম্যান. Show all posts
Showing posts with label পেরেলম্যান. Show all posts

আয়নার সামনে আঁকা

   এই কাজটা করলে তুমি ও তোমার প্রতিফলনের মধ্যে যে পুরোপুরি মিল নেই, সেটা আরও ভালভাবে ধরা পড়বে। টেবিলের উপর খাড়া করে বসানাে একটা আয়নার সামনে বসাে। এবার এক টুকরাে কাগজ নিয়ে শুধু হাতের প্রতিফলনের উপর নজর রেখে ওর পরস্পর ছেদী সমেত একটা আয়তক্ষেত্র আঁকার চেষ্টা করো। 


আপাত ভাবে এই সহজ কাজটাই দারুণ শক্ত হয়ে উঠবে। আমরা বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চোখের দেখা ও অঙ্গ সঞ্চালনের অনুভূতির মধ্যে একটা বিশেষ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আয়না এই সুশৃংখল সম্পর্কটাকে ভঙ্গ করে, কারণ আয়নাটা আমাদের সচল হাতের একটা বিকৃত প্রতিবিম্বকে পেশ করে। তােমার প্রত্যেক প্রচেষ্টাকে তােমার অভ্যাস প্রতিবাদ করবে। তুমি ডানদিক টেনে একটা লাইন টানতে চাও কিন্তু তােমার হাত পেন্সিলটাকে টেনে নিয়ে যেতে চাইবে বাঁদিকে। এই ভাবে তুমি যদি আরও জটিল ছবি অাঁকতে বা  লিখতে যাও, তাহলে আরও অদ্ভুত ফল পাবে। সমস্ত জিনিসটাকে এমন গুলিয়ে ফেলবে যে দারুণ মজার ব্যাপার হবে। ব্লটিং পেপারের উপর কালির ছােপগুলোও তােমার হাতের লেখার আয়নায়  দেখা প্রতিসম প্রতিফলনের সামিল। কিন্তু একবার পড়ার চেষ্টা করে দ্যাখাে এটা শব্দও বুঝতে পারবে না, এমন কি অক্ষরগুলাে যদি স্পষ্টও দেখা যায় তবুও নয়। লেখাগুলাে বাঁদিকে হেলে থাকবে এবং টানগুলো সব উল্টোপাল্টা। অবশ্য এই হিজিবিজি আয়নার সামনে ধরলেই আবার তােমার পরিচিত হাতের লেখা দেখতে পাবে। আসলে আয়নাটা তােমাকে তােমার হাতের লেখার প্রতিসম প্রতিফলনের প্রতিসম প্রতিফলন দেখায়। 
Share:

কাটা মুন্ডু কথা বলে

  সাদাসিধে মানুষ প্রায়ই এই ধরনের খেলা দেখে একেবারে তাজ্জব হয়ে যায় । সত্যি তো  একটা ডিসের উপর রাখা ঠিক মানুষের মতোই দেখতে একটা কাটা মুন্ডু যদি চোখ পিটপিট করে কথা বলে এবং খাওয়া-দাওয়া করে অবাক হব নাইবা কেন  । যে টেবিলের উপর রাখা হয় তার একেবারে কাছে কাউকে যেতে না দিলেও সবাই স্পষ্ট দেখতে পায় টেবিলের নিচে কিছুই নেই । এরকম কোন খেলার আসরে যদি তোমার যাওয়ার সুযোগ হয় এক টুকরো কাগজ পাকিয়ে বলের মতো করে নিয়ে সেটাকে টেবিলের তলায় ছুড়ে দিও দেখে অবাক হবে কাগজটা ধাক্কা খেয়ে ফিরে আসবে । রহস্যটা আর রহস্য রইল না একটা আয়নার গায়ে ধাক্কা খেয়ে কাগজের বলটা ফিরে এসেছে । বলটা টেবিলের কাছে না পৌঁছালেও ক্ষতি নেই কারণ এর প্রতিফলন দেখে তুমি ধরে নিতে পারবে ওখানে একটা আয়না আছে । 

   টেবিলের একটা পা থেকে আরেকটা পা অবধি জায়গাটুকু জুড়ে যদি একটা  আয়নাটা থাকে , তাহলেই লোকের ভুল ধারণা জন্মাবে যে টেবিলের নিচে কিছু নেই । অবশ্য ঘরের আসবাব বা দর্শকদের প্রতিফলন ঘটলো চলবে না  । সেই জন্য ঘরটা একেবারে ফাঁকা থাকা দরকার এবং দেওয়াল গুলো একই রকম হওয়া উচিত । মেঝের রং এরও কোনো হেরফের বা নকশা থাকা চলবে না । দর্শকদের বসাতে হবে ভদ্রজনোচিত দূরত্বের । দেখতেই পাচ্ছ যে, এর মধ্যে রহস্যের কোনো বালাই নেই , কিন্তু ব্যাপারটা  না জানলে একেবারে তাজ্জব হয়ে যেতে হয় ।
কখনো কখনো আরো মজা করে খেলা দেখানো হয় ।  প্রথমে যাদুকর একটা ফাঁকা টেবিল দেখায় । যার উপরে বা নিচে কিছুই থাকে না । তারপর নিয়ে আসা হয় একটা বন্ধ বাক্স । সবাই ভাবে এরমধ্যে বুঝি জ্যান্ত কাটা মুন্ডু টা আছে কিন্তু ডালা খুলতেই দেখা যায় তার ভিতরে কিছুই নেই।  জাদুকর বাক্সটাকে এবার টেবিলের উপর রেখে সামনে ডালাটা খোলে । সঙ্গে সঙ্গে কথা বলে ওঠে কাটা মুন্ডু !কি কান্ড ! ব্যাপারটা হয়তো আন্দাজ করতে পেরেছ টেবিলের উপরে একটা গুপ্ত দরজা আছে । খালি বাক্সটার তলায় কোন ঢাকনা থাকে না । সেটা টেবিলে বসানোর পর টেবিলের নিচে যে লোকটা ঘাপটি মেরে বসেছিল সে ওই দরজা দিয়ে মাথাটা উপর দিকে বার করে দেয় (চিত্র 98)  এই খেলাটা অন্য রকম ভাবে দেখানো যায় সেগুলো তুমি হয়তো নিজেই বের করতে পারবে
Share:

দেওয়ালের মাঝ দিয়ে দেখা

  1890-এর দশকে অদ্ভুত একটা জিনিস কিনতে পাওয়া যেত যার গাল-ভরা  নাম ছিল ‘এক্স-রে যন্ত্র' । বেশ মনে পড়ে তখন আমি স্কুলে পড়ি, সেই প্রথম অভিনব জিনিসটাকে দেখে আমি ভারী অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। 


এর সাহায্যে  অসচ্ছ ( opaque ) বস্তুর ভেতর দিয়েও আমি আলো দেখতে পেয়েছিলাম। শুধু যে মােটা কাগজের ভেতর দিয়ে তাই নয়—ছরির ফলার ভেতর দিয়েও দেখেছি। সত্যিকারের এক্স-রে কিন্তু ছুরির ফলা ভেদ করতে পারে না। 95 নং চিত্রে যে জিনিসটা দেখা যাচ্ছে সেটা আমার বিবৃত অদ্ভুত দর্শন যন্ত্রটার নকল। দেখলেই ব্যাপারটার ছলা-কলা ধরা পড়ে যায়। এর মধ্যে যে 45° কোণে হেলানাে চারটে আয়না আছে তা দিয়ে লক্ষ্যবস্তু থেকে আগত রশ্নিগুলােকে প্রতিফলিত ও পুনঃ প্রতিফলিত করে অসচ্ছ বাধা পার করে নিয়ে যাওয়া যায়। সামরিক বাহিনীতেও এই ধরনের একটা যন্ত্রের খুব ব্যবহার হয়। পেরিস্কোপ ( চিত্র 96 ) নামে এই যন্ত্রটার সাহায্যে সৈন্যরা শত্রুদের গতিবিধির উপর নজর রাখে অথচ নিজেদের শত্রুর গােলাগুলির মধ্যে পড়তে হয় না। পেরিস্কোপের ফুটো দর্শকের চোখ থেকে যত দূরে সরে যায়, ততই সংকুচিত হয়ে ওঠে দৃশ্যের সীমানা । দৃশ্যের সীমানা প্রসারিত করার জন্য আলোক-লেন্সের এক বিশেষ  ধরনের সমন্বয় ব্যবহার করা হয়। কিন্তু পেরিস্কোপের মধ্যে যে আলো ঢোকে তার অংশবিশেষ শোষিত হয় এই লেন্সে, ফলে প্রতিবিম্ব ঝাপসা দেখায়। এ জন্য খুব বেশি হলেও পেরিস্কোপের উচ্চতা কুড়ি মিটারের চেয়ে বাড়ানো সম্ভব হয় না।


 আর এতেই তাে ছাদের কাছে পৌছে গেলাম। এর চেয়ে লম্বা পারিস্কোপের প্রতিবিম্ব ঝাপসা হয় এবং দশের সীমাও সংকীর্ণ হয়ে আসে। তার উপর আবহাওয়া মেঘলা হলে তাে কথাই নেই। সাবমেরিনের পরিচালকরাও শত্রু জাহাজ আক্রমণ করার সময়ে পেরিস্কোপেই এদের দেখে। সামরিক বাহিনীর পেরিস্কোপের তুলনায় এটি অনেক জটিল। জলের নিচে থাকার সময় এর মুখটা শুধু জেগে থাকে। কার্যপ্রণালীর দিক থেকে দুই এক, এর মধ্যেও আয়নাগলাে ( বা প্রিজম ) একইভাবে সাজানাে। থাকে ( চিত্র 97 )। 
Share:

কিছু কথা

আমি দেবায়ন সেন । ভালো লাগে লেখালেখি করতে , সেই কারনেই এই ব্লগের সৃষ্টি । পড়াশোনা গনিতের উপরে কিন্তু ভালো লাগে গান, জাগ্লিং, মাউথর্গ্যান ও প্রোগ্রামিং । বিজ্ঞানের উপরে লেখার জন্যই এই ব্লগ তৈরী করেছিলাম। যাইহোক এখন তা শুধু মাত্র ব্লগের পরিনত হয়েছে । বিজ্ঞানের পোস্টের জন্য ফেসবুকে দেবায়নের বিজ্ঞান ব্লগ (fb.com/blog.debayan)এর ঠিকানায় আছে। জানিনা এই ব্লগে কেউ আসবে কিনা । না এলেও ক্ষতি নাই । ভালোলাগে তাই লিখি ,ব্লগস্পট যতদিন আছে এই লেখাগুলও থাকবে বলেই মনে হয় । যদি কেউ গুগুল সার্চ করে বা কোনো লিঙ্কের মাধ্যমে এখানে পৌঁছয় আর কিছু পোস্ট সামান্য তম উপকারে আছে তাহলেই এই ব্লগের সার্থকতা ।

Recent Posts