একদিন আইনস্টাইন ট্রেনে যাচ্ছিলেন । তখন চেকার টিকিট চেক করতে করতে আইনস্টাইন কে টিকিট দেখাতে বললেন। কিন্তু আইনস্টাইন তাঁর টিকিট খুঁজে পাচ্ছিলেন না । তারপর চেকার আইনস্টাইন কে চিনতে পারলেন ও বললেন
-
This is default featured slide 1 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by NewBloggerThemes.com.
-
This is default featured slide 2 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by NewBloggerThemes.com.
-
This is default featured slide 3 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by NewBloggerThemes.com.
-
This is default featured slide 4 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by NewBloggerThemes.com.
-
This is default featured slide 5 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by NewBloggerThemes.com.
ম্যাজিক্যাল টাচ্ঃ
একজন বন্ধু কে একটি চেয়ারে বসিয়ে পা-দুটিকে সোজা ছড়িয়ে , মাথাকে সামান্য হেলিয়ে ও হাত দুটিকে মুড়তে বল ( ঠিক নীচের ছবির মত ।) এবার তোমার বন্ধুর কপালে একটি আঙুল দিয়ে সামান্য চেপে ধরো । তাহলে তোমার বন্ধু
স্যাকারিন আবিস্কারঃ
একদিন আমেরিকার এক রসায়নবিদ রেমপেন তাঁর ল্যাবেরটরিতে আলকাতরা নিয়ে কতগুলি পরীক্ষা করার পর নিজের ঘরে খেতে বসলেন। তখন তিনি যাই মুখে দেন তাই তাঁর মিষ্টি মনে হয়। তিনি ভাবলেন রান্নায় চিনি বেশী দিয়ে তাঁর রাঁধুনীই বোধহয় এই কাজ করেছে । তাই তিনি তাকে ধমকও দিলেন । অবশ্য কিছু পরে
ছোটো বেলায় লিখতে শেখাঃ-
আমরা এখন লিখতে এবং আঁকতে পারি। আমরা ভাবি এতো খুব সহজ ব্যপার । কিন্তু একজন শিশু ,যে এই লিখতে বা আঁকতে শিখছে , তার কাছে এটা খুবই কষ্টকর কাজ। কারন এই লেখা বা আঁকা আমাদের কাছে অভ্যাসে দাঁড়িয়েছে তাই খুব সহজ মনে হয়। কিন্তু শিশুরা এটাকে
কেমন করে ম্যজিশিয়ান রা শূন্যে ভেসে থাকে?
আমরা অনেক সময় দেখি যে ম্যাজিশিয়ান রা মঞ্চে ম্যজিক দেখানোর সময় মাটি থেকে কিছুটা উপরে শূন্যে ভেসে আছেন। আচ্ছা তারা কিভাবে ভেসে থাকে? শূন্যে ভেসে থাকার অনেক গুলি পদ্ধতি আছে তার মধ্যে অন্যতম উল্লেখযগ্য হল
মজাদার দড়ি ও ফাঁসের বা গিঁটের (knot) খেলাঃ
নীচের ছবিটা লক্ষ্য কর। একটা মাঝারি ধরনের দড়ি নাও।( ওই মোটামুটি ৩০ সেন্টিমিটার মত হলেই হবে।) এবার ছবির মত ধাপ-১ , ধাপ-২ হয়ে ধাপ-৩ এর মত ফাঁস তৈরী কর। এখন প্রশ্ন হল ,যদি ‘ক’ ও ‘খ’ প্রান্ত ধরে টান দেওয়া যায় তাহলে দড়িটিতে কতগুলি ফাঁস (knot) পরবে?
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি ও একটি ম্যাজিকঃ
জ্যামিতির আলোচনায় কোনো বিন্দু সম্পর্কে জানতে গেলে প্রথমেই জানতে হয় তার অবস্থান। ফরাসি গনিতবিদ রেনে ডেকার্তেস তৈরী করে ছিলেন স্থানাঙ্ক জ্যামিতি । এখানে থাকে একটি অনিভুমিক(x –অক্ষ বা ভুজ) ও আরেকটি অভিলম্ব (y-অক্ষ বা কোটি) সরলরেখা। এই ভুজ ও কোটি হতে নেওয়া লম্ব দূরত্ব থেকেই






