• This is default featured slide 1 title

    Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by NewBloggerThemes.com.

  • This is default featured slide 2 title

    Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by NewBloggerThemes.com.

  • This is default featured slide 3 title

    Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by NewBloggerThemes.com.

  • This is default featured slide 4 title

    Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by NewBloggerThemes.com.

  • This is default featured slide 5 title

    Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by NewBloggerThemes.com.

প্রাচীন ভারতে নয়ে নবগ্রহ কেন?


[ প্রাচীন কাল থেকেই ভারতে 'নবগ্রহ' কথাটি প্রচলিত ।অর্থাৎ, সৌরজগতে গ্রহের সংখ্যা ৯, তখন তো ইউরেনাস ,নেপচুন ও প্লুটো আবিষ্কৃত হয়নি ।তাহলে এই সিদ্ধান্তে প্রাচীন ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা কিভাবে উপনীত হয়েছিল ? ]
প্রাচীন ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ইউরেনাস
Share:

বিছুটিতে গা চুলকায় কেনো?

নিজেকে বাঁচানাের জন্যে প্রাণীদের অনেক রকমেরই আত্মরক্ষার ব্যবস্থা থাকে। আত্মরক্ষার ব্যবস্থার মধ্যে সব চাইতে ভাল হল পালিয়ে বাঁচা। জীবদের মধ্যে একমাত্র গাছেরই পালাবার পথ বন্ধ। গাছ নড়তে চড়তে পারে না। তাই কেউ তাকে আক্রমণ করলে জায়গায় দাঁড়িয়েই নিজেকে রক্ষা করবার জন্য অনেক রকমের কৌশল গাছ অবলম্বন করে থাকে। নানা ধরনের জীবজন্তুর হাত থেকে বাঁচবার চেষ্টায় গাছ নিজের পাতা, বাকল, ফুল, ফল ইত্যাদিতে নানা ধরনের বিষ জমিয়ে রাখে। প্রাণীরা ওই বিষের ভয়ে ওই সব গাছের ধারে কাছে ঘেষে না। অনেক গাছে আবার কাঁটাও থাকে। কাঁটার ভয়ে প্রাণী কেন, মানুষই অনেক গাছের কাছে ঘেঁষতে সাহস পায় না। তা ছাড়া কোনাে কোনাে গাছের গায়ে আবার ছােট ছােট বিষাক্ত রােম হয়। ওই বিষের ভয়ে সব প্রাণীই ওই জাতের গাছ এড়িয়ে চলে। বিছুটি গাছেও আত্মরক্ষার জন্যে সারা গায়ে ছােট ছােট রােম থাকে। এই রােমগুলাে বেশ লম্বা এবং এর মাথা শক্ত সূঁচের মত মানুষ বা প্রাণী বিছুটি গাছ ধরলে রােমণ্ডলির মাথা চামড়ার ভিতরে ঢুকে পড়ে এবং মাথাটা ভেঙে গিয়ে চামড়ার সঙ্গে আটকে যায়। ভাঙা মাথা থেকে এক ধরনের বিষ ধীরে ধীরে চামড়ায় ছড়িয়ে পড়ে, ফলে বেঁধা জায়গাটা আস্তে আস্তে ফুলে ওঠে এবং জ্বালা করতে থাকে। জ্বালার সঙ্গে সঙ্গে বিষের প্রভাবে গা চুলকোতে আরম্ভ করে। আর বিষও ধীরে ধীরে অনেকটা জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। সেই সঙ্গে জ্বালা এবং চুলকানি আরাে বেড়ে ওঠে। প্রধানত বিষের প্রভাবেই বিছুটিতে গা চুলকোয়।
(তথ্যসূত্র: লেখাটি সংগৃহিত)
Share:

হাতে করে বুলেট ধরা



প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় এই অদ্ভুত ঘটনার কথা জানা গিয়েছিল। একজন ফরাসী বৈমানিক দু কিলোমিটার উঁচু দিয়ে উড়ে যাবার সময় মুখের কাছে কি একটা দেখে মনে করলেন একটা মাছি। দু' হাত দিয়ে 
Share:

মেঘের রকমফের । বিভিন্ন মেঘের বিভিন্ন নাম

    
কালাে জলভরা মেঘ দেখলে যে বৃষ্টি হবে একথাটা না বললেও চলে কিন্তু মজা হল যে, মেঘেদেরও একটা করে নাম আছে। যে মেঘে প্রচণ্ড বৃষ্টি হয় এমন যে বন্যা হয়ে যাবে মনে হয় তার নাম 'সংবর্তা'  আর যে মেঘের 
Share:

একটি ধাঁধা সমাধান ও বাইনারি সংখ্যার খেলা

  
  এইরকম একটি অংক বেশ কিছুদিন ধরেই সোশাল মিডিয়ায় ঘোরাঘুরি করছিল অংকটা কিন্তু বেশ মজার। অঙ্কটা নিম্নরূপ--
   ● কোন এক সময় শ্বশুর তার জামাই কে ফোন করে বাড়িতে আসার আমন্ত্রণ জানালেন। উত্তরে জামাই বলল 
Share:

অক্সিজেন নামকরণে ল্যভয়সিয়ের ভুল

  
   যে যৌগিকে অক্সিজেন পরমাণু কিছুটা আলগা হয়ে যুক্ত থাকে, তা থেকে অক্সিজেন পাওয়া যেতে পারে। এই যৌগিককে উত্তপ্ত করলে অক্সিজেন পরমাণু আলাদা হয়ে গিয়ে, 
Share:

নোড জে এস (node.js) ও জাভাস্ক্রিপ্ট এর সম্পর্ক ও পার্থক্য

       লেখাটা শুরু করার আগে নোড জে এস সম্পর্কে একটু ধারনা থাকা দরকার । যদিও ধারনা বলতে সেরকম কিছুই কঠিন নয়। প্রথমেই জানতে হবে জাভাস্ক্রিপ্ট ও নোড জে এস এর মধ্যে পার্থক্য কি বা সম্পর্কই কি । জাভাস্ক্রিপ্ট হল একটা স্ক্রিপ্টিং ল্যঙ্গুয়েজ যা ব্রাউজারে ছাড়া রান করানো যায় না । এইচটিএমএল ওয়েব পেজ কে ডায়ানামিক রুপ দিতে জাভাস্ক্রিপ্ট একতা গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা নিয়ে থাকে । যেহেতু জাভাস্ক্রিপ্ট ব্রাউজারে রান করে তাই

Share:

কিছু কথা

আমি দেবায়ন সেন । ভালো লাগে লেখালেখি করতে , সেই কারনেই এই ব্লগের সৃষ্টি । পড়াশোনা গনিতের উপরে কিন্তু ভালো লাগে গান, জাগ্লিং, মাউথর্গ্যান ও প্রোগ্রামিং । বিজ্ঞানের উপরে লেখার জন্যই এই ব্লগ তৈরী করেছিলাম। যাইহোক এখন তা শুধু মাত্র ব্লগের পরিনত হয়েছে । বিজ্ঞানের পোস্টের জন্য ফেসবুকে দেবায়নের বিজ্ঞান ব্লগ (fb.com/blog.debayan)এর ঠিকানায় আছে। জানিনা এই ব্লগে কেউ আসবে কিনা । না এলেও ক্ষতি নাই । ভালোলাগে তাই লিখি ,ব্লগস্পট যতদিন আছে এই লেখাগুলও থাকবে বলেই মনে হয় । যদি কেউ গুগুল সার্চ করে বা কোনো লিঙ্কের মাধ্যমে এখানে পৌঁছয় আর কিছু পোস্ট সামান্য তম উপকারে আছে তাহলেই এই ব্লগের সার্থকতা ।

Recent Posts